পরের দিন ১৬ই জুলাই আমাদের প্রাইম মেডিকেল কলেজে গত রাতের পরিকল্পনা অনুযায়ী সকাল ৯:৩০ মিনিটে মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিতে থাকি। দুঃখজনক বিষয় ছিলো, স্টুডেন্টদের উপস্থিতি ছিল একদম নগণ্য। তার মধ্যে কলেজের কিছু আওয়ামী চেতনাধারী সিনিয়র গত রাতেই বিভিন্ন জুনিয়রকে মিছিলে যুক্ত না হওয়ার জন্য হুমকি-ধামকি দেয়। ফলে স্টুডেন্টদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হয় না। এছাড়াও কলেজের বিভিন্ন মহলের অসহযোগিতা তো চলছিলই। সবকিছু উপেক্ষা করে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মাঝেই আমরা কিছু শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে যাই কলেজের লবি তে। যথারীতি ব্যানারহীন মিছিল বের হয়। অনেকে ইন্সট্যান্ট কিছু প্লাকার্ড বানিয়ে মিছিলে যুক্ত হয়। অবশেষে সকাল ১০ টায় মিছিল বের হয়ে ১১:৩০ পর্যন্ত মিছিল চলে। রংপুরে এটাই ছিল কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোটাবিরোধী প্রথম মিছিল।

এরপর ধারাবাহিকভাবে ১১:৩০ এ রংপুর মেডিকেল কলেজে এবং তার পরপরই কারমাইকেল কলেজের মিছিল বের হয়ে যায়। বেলা ৩:০০ টায় মিছিল বের হয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেই মিছিলেই পুলিশ গুলি চালায়, আর সেদিনই বিকেল ৩:৩০ এ জুলাই এর প্রথম শহীদ আবু সাঈদ রাজপথে রক্ত ঢেলে ইতিহাসের মোড় ঘুড়িয়ে দেন।
সেদিনের পরেই কলেজে ক্লাস অফ হয়ে যায়। আমি বাড়ি চলে আসি। বাড়িতে এসে যথারীতি অনলাইন-অফলাইনে সমান তালে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের সমাবেশ মিছিলে যুক্ত হতে থাকি।
ইন্টারনেট অফ থাকার সময়গুলো বন্ধুদের সাথে ফোনকলে, মেসেজে কথাবার্তা হতো। বিভিন্ন এলাকার খোজ নেয়া হতো। আন্দোলনে সক্রিয় ছাত্রদের গ্রেফতারের খবর আসতো। পাশাপাশি আওয়ামী মতের ভিন্নমত লালনকারীদেরও গ্রেফতারের খবর পাই, যেহেতু আওয়ামী ন্যারেটিভ ছিল দাড়ি-টুপি পড়লেই ‘জঙ্গী’ ইসলামী বই পড়লে ‘জঙ্গী’।

এরপর ধারাবাহিকভাবে ১১:৩০ এ রংপুর মেডিকেল কলেজে এবং তার পরপরই কারমাইকেল কলেজের মিছিল বের হয়ে যায়। বেলা ৩:০০ টায় মিছিল বের হয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেই মিছিলেই পুলিশ গুলি চালায়, আর সেদিনই বিকেল ৩:৩০ এ জুলাই এর প্রথম শহীদ আবু সাঈদ রাজপথে রক্ত ঢেলে ইতিহাসের মোড় ঘুড়িয়ে দেন।
সেদিনের পরেই কলেজে ক্লাস অফ হয়ে যায়। আমি বাড়ি চলে আসি। বাড়িতে এসে যথারীতি অনলাইন-অফলাইনে সমান তালে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের সমাবেশ মিছিলে যুক্ত হতে থাকি।
পরের দিন ১৬ই জুলাই আমাদের প্রাইম মেডিকেল কলেজে গত রাতের পরিকল্পনা অনুযায়ী সকাল ৯:৩০ মিনিটে মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিতে থাকি। দুঃখজনক বিষয় ছিলো, স্টুডেন্টদের উপস্থিতি ছিল একদম নগণ্য। তার মধ্যে কলেজের কিছু আওয়ামী চেতনাধারী সিনিয়র গত রাতেই বিভিন্ন জুনিয়রকে মিছিলে যুক্ত না হওয়ার জন্য হুমকি-ধামকি দেয়। ফলে স্টুডেন্টদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হয় না। এছাড়াও কলেজের বিভিন্ন মহলের অসহযোগিতা তো চলছিলই। সবকিছু উপেক্ষা করে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মাঝেই আমরা কিছু শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে যাই কলেজের লবি তে। যথারীতি ব্যানারহীন মিছিল বের হয়। অনেকে ইন্সট্যান্ট কিছু প্লাকার্ড বানিয়ে মিছিলে যুক্ত হয়। অবশেষে সকাল ১০ টায় মিছিল বের হয়ে ১১:৩০ পর্যন্ত মিছিল চলে। রংপুরে এটাই ছিল কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোটাবিরোধী প্রথম মিছিল।
এরপর ধারাবাহিকভাবে ১১:৩০ এ রংপুর মেডিকেল কলেজে এবং তার পরপরই কারমাইকেল কলেজের মিছিল বের হয়ে যায়। বেলা ৩:০০ টায় মিছিল বের হয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সেই মিছিলেই পুলিশ গুলি চালায়, আর সেদিনই বিকেল ৩:৩০ এ জুলাই এর প্রথম শহীদ আবু সাঈদ রাজপথে রক্ত ঢেলে ইতিহাসের মোড় ঘুড়িয়ে দেন।
সেদিনের পরেই কলেজে ক্লাস অফ হয়ে যায়। আমি বাড়ি চলে আসি। বাড়িতে এসে যথারীতি অনলাইন-অফলাইনে সমান তালে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের সমাবেশ মিছিলে যুক্ত হতে থাকি।
ইন্টারনেট অফ থাকার সময়গুলো বন্ধুদের সাথে ফোনকলে, মেসেজে কথাবার্তা হতো। বিভিন্ন এলাকার খোজ নেয়া হতো। আন্দোলনে সক্রিয় ছাত্রদের গ্রেফতারের খবর আসতো।
